1. admin@dailyamarpranerhabiganj.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এশিয়ার বৃহত্তম বিবিয়ানায় গ্যাস উৎপাদনের ৬০ শতাংশ, কনডেনসেট উৎপাদনের ৮০ শতাংশেরও বেশী। শিবপাশায় নূরীয়া দরবার শরীফের বাৎসরিক ইছালে ছাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত। কবিতা: ভাবে করি কাজ। লেখকঃ খুকন মিয়া। নবীগঞ্জে ভুমি কম্পনে ক্ষতি গ্রস্থ বাড়ি -ঘর তালিকা ও নতুন কমিটি গঠন- বিবিয়ানা অপটিমাইজেশন উদ্ভোদন। নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযুদ্ধা ওসমানীর মৃত্যু বার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। মাধবপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪০ বোতল ভারতীয় মদ,সহ ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার। চুনারুঘাট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ ০৫ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ০১ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার। হবিগঞ্জ জেলাকে পুরো বিশ্বের সামনে তোলে ধরতে চাই- নবীগঞ্জ মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক জিলুফা সুলতানা। নবীগঞ্জে রাসুল (সাঃ)কে নিয়ে কটুক্তি করে ফেসইবুকে পোস্ট! নবীগঞ্জ উত্তাল-গণ স্বাক্ষর- কটুক্তিকারী অর্নিবাণ গ্রেফতার। নবীগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় রাকিব আলী গ্রেফতার।

দৃষ্টিহীন দুই প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে অন্ধকারে পরিবার। আর্থিক সহযোগিতা চায় আলফিনা।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০০ বার পঠিত

 

সোহাগ মিয়াঃ একই পরিবারের দুই ভাই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। অভাবে পড়া পুরো পরিবারটিই চোখে অন্ধকার দেখছে। প্রতিবেশীরা বলছেন, তাদের দরকার কিছু সহায়তা।

স্বামী ও দুই ছেলে নিয়ে আলফিনা বেগম ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার এলাকার ফতেহপুর গ্রামে বেনু মিয়া মাষ্টারের কলোনীতে। আলফিনার দুই ছেলেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।

জন্ম থেকে অন্ধ হয়ে যাওয়া দুই ছেলে মেরাজ আহমেদ নিরব (১০) ও শাহ মুছন মিয়া (৬)কে নিয়ে বিপাকে পড়েছে পরিবারটি।

আলফিনার স্বামী মোঃ আক্তার মিয়া প্রতিবেদককে বলেন, আমার অর্থ সম্পদ কিছুই নাই। যহন যে কাম পাই তাই করি, কোনো বেলা খায়ে থাহি, কোনো বেলা না খায়ে থাহি।

“হাজার কষ্টের মধ্যেও দুইটা পুলারে নিয়ে বেঁচে আছি”। কিন্তু আমি মইরা গেলেগা এই পুলাডিরে দেখার আর কেউ নাই। ওরা অথই সাগরের মধ্যে পইড়ে যাবো গা। তাই দেশের বিত্তবান শ্রেণীর মানুষের কাছে অনুরোধ, আমার পুলাডিরে যদি কিছু একটা ব্যবস্থা কইরে দেয়, তাইলে আমি মইরেও শান্তি পামু।’ আমরা তো মানুষ আমাদেরকে আপনার সহায়তা করুন।

আলফিনা বেগম বলেন, ‘আমার দুইটা পুলাই জন্ম থেকে অন্ধ। আমার তো এতো টাকা নাই। বড় ছেলেটি পড়ালেখা করার জন্য বেহুশ। আমি কি করব? ছোট ছেলেটি রাতের বেলায় ঘুমায় না সারা রাত চিৎকার চেচামেচি করে। পাশের ভাড়াটিয়া খুব ভাল মনের মানুষ, তাই তারা বিরক্তবোধ হয় না। এদিকে দুটি অন্ধ ছেলেকে রেখে আমি কোন বাইরে কাজ করতে পারি না। আপনাদের কাছে আমার দুটি অন্ধ ছেলের ও পরিবার কে নিয়ে বাঁচতে আর্থিক সহযোগিতা চাই।

প্রতিবেশীরা জানান, জন্মের পর থেকে অন্ধ দুটি ছেলে সন্তান। এই ঘটনা বিরল। আলফিনার বড় ছেলেটি খুব মেধাবী। সে অনেক সুন্দর গজল ও গায়। সরকার ও দেশের বিত্তবান শ্রেণির মানুষেরা যদি আর্থিকভাবে একটু সহযোগিতা করে তাহলে পরিবারটি ভালোভাবে বাঁচতে পারতো।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মোছাঃ আলফিনা বেগম ও স্বামী মোঃ আক্তার মিয়া হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মানপুর এলাকার সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ৫ বছর ধরে তাঁরা দুটি দৃষ্টিহীন সন্তান কে নিয়ে শাহজীবাজার এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

সচেতন মহলদের অভিমতে, ‘কিছু প্রয়োজনীয় খাবার আছে, যেগুলো না খেলে পুষ্টির অভাবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যায়। এছাড়া কিছু জন্মগত রোগ আছে, সেগুলোর কারণেও মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে। এসব বিষয়ে সচেতনতা এবং প্রচার দরকার।’ এমনকি আলফিনার পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য ও অনুরোধ জানান তারা।

নিম্নের ঠিকানায় যোগাযোগ ও সহায়তা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলঃ

মোবাইল, বিকাশ নংঃ 01322191509
মোছাঃ আলফিনা বেগম, দৃষ্টিহীন দুটি সন্তানের জননী।
বর্তমানঃ ফতেহপুর,শাহজীবাজার,মাধবপুর,হবিগঞ্জ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Daily Amar Praner Habiganj
Theme Customized By Shakil IT Park